ভবিষ্যতের চাহিদার কথা মাথায় রাখুন

বিশ্বের সেরা ধনীদের তালিকায় যার নাম সবচেয়ে বেশি এসেছিল তিঁনি বিল গেটস । মাইক্রোসফটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এ ব্যক্তি। পার্সোনাল কম্পিউটার বিপ্লবেরও একজন পথিকৃৎ হিসেবে ধরা হয় তাঁকে। কেউ কেউ বিল গেটসকে সফলদেরও সফল বলে অভিহিত করেন। এই সফলতার পেছনে আসল রহস্য কী? ফোর্বস ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তা উন্মোচন করেছেন তিঁনি, সেই আলোকে সবাইকে পরামর্শও দিয়েছেন। 

০১।  মনে অসম্ভব জোর থাকা: একজন ব্যবসায়ীকে কঠোর পরিশ্রম করতে তাকে এতটাই প্রস্তুত থাকতে হবে যে, বিশ্রাম নেওয়ার মানসিকতা থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে। আমিও তা-ই করতাম।

০২।  ধাক্কার পরেই সাফল্য: জীবনে বড় ধাক্কা খাওয়া বা বাজে পরিস্থিতির শিকার হওয়াও সাফল্যের অন্যতম মূলমন্ত্র। আমার অভিজ্ঞতা এমনটিই বলে।

০৩।  কঠোর পরিশ্রম: সাফল্য অর্জনে কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। বিল গেটস তা-ই মনে করেন।

০৪।  নতুন নতুন আইডিয়া সামনে আনা: ভবিষ্যতের চাহিদার কথা মাথায় রাখুন। প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিত আপডেট করুন। নতুন নতুন আইডিয়াকে সামনে নিয়ে আসুন। তবেই সফল হওয়া সম্ভব।

০৫।  কাজ উপভোগ করা: আপনি যে কাজটি করছেন সেটি আপনাকে উপভোগ করতে হবে। ষষ্ঠ মূলমন্ত্র হলো—কার্ড খেলুন। বিল গেটসের প্রিয় খেলা কার্ড। তার মতে, ব্রিজ খেলার বেশ কিছু ভালো দিক রয়েছে। এই খেলা আপনাকে চিন্তা করতে সাহায্য করে। যে ব্যক্তি ব্রিজে ভালো সে অন্য অনেক কিছুতেও ভালো।

০৬।  পরামর্শ নেওয়া: হতে পারে আপনার কাছে কিছু আইডিয়া আছে যেটা আরেকজনের কাছে নেই। আবার আরেকজনের কাছে যে আইডিয়াটা আছে সেটাও হয়তো বা আপনার কাছে নেই। তাই কাছের লোকদের সঙ্গে আলাপ করা ও পরামর্শ চাওয়া বুদ্ধিমান ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক। 

০৭।  বিশ্বাসযোগ্যদের কাজে নিয়োগ: বিল গেটসের মতে, এমন ব্যক্তিদেরই আপনি আপনার ব্যবসায় সংযুক্ত করুন, যাদের আপনি পরিপূর্ণভাবে বিশ্বাস করতে পারেন।

০৮।  কাজকে হেলা না করা: কোনো কাজেই আজ না কাল, কাল না পরশু- এমন করা যাবে না বরং যখন যে কাজটি করার প্রয়োজনবোধ করবেন তখনই সেটি করে ফেলবেন।