যেকোনো পেশায় তার ঈপ্সিত লক্ষ্যে সফলভাবে পৌঁছানোর নাম ক্যারিয়ার

ক্যারিয়ার বলতে বড় কোনো অফিসার, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার অথবা অধ্যক্ষ হওয়া নয়।
যেকোনো পেশায় তার ঈপ্সিত লক্ষ্যে সফলভাবে পৌঁছানোর নাম ক্যারিয়ার।  
ধরুন,
 আপনি শিক্ষাগত যোগ্যতায় অন্যের থেকে পিছিয়ে থেকেও সফল ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তা হয়ে সমাজের একজন মডেল হতে পারেন।
লোকে কি বলবে মানুষ কি ভাববে?
 এই একটি চিন্তাই মানুষের জীবনকে পিছিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট........................................
আপনি ব্যর্থ হোন, মানুষ আপনাকে নিয়ে টিটকারি মারবে. সফল হোন. হিংসে করবে... বেশিরভাগ মানুষের এই দুটোর বাহিরে আর কোন কাজ নেই।
সব সময় মনে রাখা উচিত, একসাথে দুনিয়ার সকল মানুষকে আপনি সন্তুষ্ট করতে পারবেন না. সেটা কখনো সম্ভব হবেও না।
এতে হয়তো আপনাকে নিয়ে লোকে অনেক আলোচনা সমালোচনা করবে. কিন্তু মনে রাখবেন, আপনি অবশ্যই সমালোচনার যোগ্য বলেই লোকে আপনাকে নিয়ে কথা বলছে. হোক সেটা  Negative বা Positive কথা।  
যার কিছু নেই, তাকে নিয়ে মানুষ আলোচনা করে না. যার কিছু থাকে, তাকে নিয়েই আলোচনা করে. যদু মধুর মত সাধারণ লোকদের নিয়ে কেউ কখনো কথা বলে না।
নিজেকে কখনো অন্যের সাথে তুলনা করতে হয় না. অন্যের সাথে তুলনা করা মানে নিজেকে অসম্মান করা. যারা নিজেকে ছোট ভাবে, inferiority complex এ ভুগে, তারাই অন্যদের সাথে নিজেকে তুলনা করে।
যেখানেই যান, যার সাথেই মিশেন, মনে রাখবেন তাকে যেই সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টি করেছেন, আপনাকেও একই সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টি করেছেন. তাই নিজেকে কখনোই ছোট ভাবতে হয় না. নিজেকে ছোট ভাবা মানে সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির ক্ষমতাকে ছোট ভাবা।
প্রত্যেক মানুষের নিজস্বতা বলতে কিছু থাকে. মানুষকে তার সেই নিজস্বতা অনুযায়ীই চলা উচিত. এতে কে কি ভাবল, বা কে কি চিন্তা করল সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করা উচিত না।

অন্যরা কি চাচ্ছে সেটাকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজের ইচ্ছাকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার সব সময়।
এতে দেখা যাবে হয়তো আপনি গতানুগতিক অন্য সবার মত করে চলছেন না. এতে হয়তো অনেকে ঠাট্টা করবে, বিদ্রুপ করবে কিংবা আপনাকে বোকা ভাববে।
কিন্তু এটা আপনার নিজের জীবন। কিসে আপনার ভাল হবে বা খারাপ হবে, সেটা নিজের চেয়ে অন্যরা কখনোই ভাল বুঝবেনা।  
আপনি না খেয়ে থাকলে একদিন-দুদিন হয়তো কেউ কেউ এসে খাওয়াবে, কিন্তু এভাবে সারাজীবন আপনাকে খাওয়াবেনা।
জীবনে নিজের লক্ষ্য ঠিক করে নিতে হবে সবার আগে. সিদ্ধান্তে আসতে হবে আপনি আসলে কি চান। সেই অনুযায়ী নিজেই নিজেকে তৈরি করে নিতে হবে। নিজেকে যদি তৈরি না করতে পারেন এটা আপনার নিজেরই ব্যর্থতা। এরপর থাকবে প্ল্যানিং দীর্ঘমেয়াদি একটা প্ল্যানিং।  


আর মনের ভেতর থাকবে একটা ম্যাপ, সেখানে আঁকানো থাকবে মূল গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য একটি মূল রাস্তা, আর কিছু বিকল্প রাস্তা. যেন যাওয়ার পথে একটি রাস্তা ব্লক হয়ে গেলে বিকল্প রাস্তা দিয়ে লক্ষ্যে পৌছাতে পারেন......................
কিন্তু পৌছাতে হবেই, গাড়িতে, পায়ে হেঁটে কিংবা হামাগুড়ি দিয়ে- যেভাবেই হোক নির্দিষ্ট লক্ষ্যে যেতেই হবে।
এতে অন্যরা কে কি ভাবল সেটাতে কি আসে যায়
সব মানুষই যেমন এক না, সবার সফলতার স্টাইলও এক রকম না. তবে, স্থির করে লক্ষ্য পূরণ হওয়াই হল জীবনের সফলতা।

ধন্যবাদ সবাইকে।  

Wahiduzzaman Wahid
চীফ মডারেটর এন্ড অর্গানাইজার সেক্রেটারি 
ইন্স্যুরেন্স বিডি গ্রুপ।